ট্যাগ সংরক্ষণাগার:সমাজ

ধর্ষক,সমাজ,আইন এবং অন্যান্য

  ধর্ষক এই নাট্য মঞ্চের জঘন্যতম চরিত্র।প্রতিটা মানুষের কাছে ঘৃণিত একজন ধর্ষক।একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সাথে শারীরিক সঙ্গম করা নিকৃষ্টতম কাজ।প্রতিবছর, প্রতিদিন ধর্ষণের নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে।এই রেকর্ড দেশের জন্য কতটা সুফল বয়ে আনছে তা বলা দুরূহ। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সলিশ কেন্দ্র (আসক) এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ১৪১৩ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন৷ ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিলো ৭৩২ জন৷ অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে দ্বিগুণ …

আরও পড়ুন

ধর্ম

ধর্ম না থাকলে “বেশ্যা” শব্দটা থাকতো না।ভালো,খারাপের কোন ধারণা থাকতো না।একটা পরিবেশের মানুষ যেমন ইচ্ছে তেমন চলাচল  করতে পারতো।অপ্রীতিকর অবস্থা সৃষ্টি করেও…..!! ওহ, দুঃখিত, যেখানে ধর্ম নেই সেখানে প্রীতিকর, অপ্রীতিকর ধারণা আসে কোথা থেকে? যে যা ইচ্ছা করতে পারতো কোন বাধা আসতো না। বারবার “পারতো” শব্দের ব্যবহার প্রমান করে ধর্মের অস্তিত্ব এই সমাজে কিছুটা হলেও আছে। ধর্ম মানে নিয়ম। এই নিয়মের বেড়াজালে পাপগুলো বন্দি থাকলেও মনের প্রবল আবেগ,অনুভূতির মাধ্যমে এই …

আরও পড়ুন

ধর্ম, ব্যক্তি, রাজনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনা

আলোচনার শুরুতেই বলে নেওয়া প্রয়োজন আমি কেন ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। এই বিষয়টা বুঝতে আমাকে প্রচুর সময় অতিক্রম করতে হয়েছে। আমরা যদি একটু সচেতনভাবে বুঝতে চেষ্টা করি তাহলে দেখব, আমরা ব্যক্তিকে কখনই জানতে পারি না।  আমরা যা জানি বলে প্রচার করি তা মূলত, ঘটনা সম্পর্কে সাময়িক ধারণা। আসুন আরো ভিতরে ঢুকে বুঝতে চেষ্টা করি। ধরেন, আব্দুল রহিম ও দীপক শীল দুই বন্ধু। এরা পরস্পর দাঁড়িয়ে কথা বলছে। আমাদের কাছে সাধারণভাবে মনে …

আরও পড়ুন

আবরার হত্যা: নতুন কিছু নয়

ধর্মনিরপেক্ষতা কোন আদর্শ নয়। প্রত্যেক ব্যক্তির চিন্তা যেন অন্যের দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত না হয় তা নিশ্চিত করবে। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের নিজস্ব কোন নির্দিষ্ট মতাদর্শ নেই। তাহলে কোন রাষ্ট্র যদি বিশেষ চিন্তাকে গুরুত্ব দেয়, অধিকাংশ ব্যক্তির একই চিন্তাকে সিদ্ধান্ত আকারে নেয়, তা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হতে পারে না। সংখ্যাধিক্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের এখানেই চরম বিরোধ খুঁজে পাওয়া যায়। আমার দেখি, প্রাচীন দার্শনিক প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রচিন্তা গ্রহণ না করে, মধ্যযুগের রাষ্ট্রগুলো ধর্মীয় আদর্শ …

আরও পড়ুন

কত স্বপ্ন না জানি দেখেছিল রুপা !

একজন রুপা আর একজন দামিনী। দুজনের উপর বয়ে যাওয়া ঝড়ের নাম একটা। ধর্ষণ! রুপা বাংলাদেশী মেয়ে আর দামিনী ভারতের। রুপার ঘটনা ২০১৭ সালে। আর রুপার মৃত্যুটা সবর্স্ব হারানোর পরেই। আর দামিনী ২০১৩ সালে তিন দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে। রুপার নিউজটা দেখে চোখের পানি আমি ধরে রাখতে পারিনি। এভাবে আমাদের মেয়েগুলো কেন হেরে যাচ্ছে? কেন হেরে যায় আমাদের মেয়েগুলো। কোন অপরাধে? একটি মেধা মূখ রুপা। যে গন্তব্যে পৌছতে পারেনি পুরুষের …

আরও পড়ুন
error: এই ব্লগের লেখা কপি করা যাবে না