ট্যাগ সংরক্ষণাগার:আদিবাসী

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম: সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হিংসার ঝরনাধারা

বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদ পাবর্ত্য চট্টগ্রাম নিয়ে লিখেছেন এবং সে বই পড়ে আমাদের তথাকথিত পাবর্ত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ধারণা বদলে যায় অনেকাংশে। ১৯৯৭ সালে রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে তিনি পাবর্ত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন এবং ঘুরে এসে লিখেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম: সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হিংসার ঝরনাধারা বইটি। বইটি পড়ে যেমন পাওয়া যায় পাবর্ত্য চট্টগ্রামের অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণণা তেমনি পাওয়া যায় শান্তি চুক্তিসহ পাহাড়ের নানান সমস্যার কথা। পাবর্ত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলায় ঘুরার  সৌভাগ্য …

আরও পড়ুন

সংকটাপন্ন ও ক্রান্তির পথে আদিবাসী অস্তিত্ব এবং রাষ্ট্রীয় সরকারের হীন দৃষ্টিভঙ্গী

পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান প্রেক্ষাপথ বিবেচনায় আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব এখন চরম সংকটাপন্ন ও ক্রান্তির অবস্থানে দাড়ানো। পাহাড়ের প্রকৃতিও এখন বেশ হতাশ। যাপিত বাস্তবতার উপত্যকায় দাড়ানো জীববৈচিত্রতার আর্তচিৎকার। প্রকট ধ্বনিত পাহাড়ের ক্রন্দন। সবমিলিয়ে পাহাড় কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা এবং পাহাড়ের সহজ সরল আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীগুলোর অস্তিত্ব ব্যাপক হুমকির মূখে পতিত। একসময় পাহাড় অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমির অনুকূলে বেশ সবুজ ছিলো, কিন্তু এখন আর নেই। সবুজ পাহাড়কে বিবর্ণ করা হয়েছে। চরম বিবর্ণ!!! যে বিবর্ণের হিংস্র …

আরও পড়ুন

পাহাড়ের বিবর্ণটা ও এক কাপড়ে বেঁচে থাকা আদিবাসীদের জনজীবন

স্বপ্নের জগতে পাহাড় এবং পাহাড়ের আদিবাসীদেরও যেন নিত্য নতুন স্বপ্নের শেষ নেই। পাহাড় স্বপ্ন দেখে ,পাহাড়ের আদিবাসীরা স্বপ্ন দেখে। কিন্তু তারা আদৌ জানেনা তাদের স্বপ্ন বাস্তবতায় পরিপূর্ণ হতে পারবে কিনা(?) নাকি স্বপ্ন কেবল স্বপ্নের অবাস্তবিক জায়গাতে থেকে যাবে। স্বাধীন বাংলাদেশের বুকে পাহাড় এবং পাহাড়ের আদিবাসীরাও তাদের স্বাতন্ত্র্য অস্তিত্বে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেছিলো বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে। সেই স্বপ্নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তথসময়ের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ(বর্তমানেও ক্ষমতাসীন) …

আরও পড়ুন

র‍্যাবের স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়ন হতে পারে পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তি সৃষ্টির নতুন সমীকরণ

||র‍্যাবের স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়ন হতে পারে পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তি সৃষ্টির নতুন সমিকরণ|| পুলিশ অধিদপ্তরের আওতাধীন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাংগঠনিক কাঠামোতে একটি স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়নের(র‍্যাব-১৫) জন্য ৬৭৭ জনের জনবল অনুমোদন করা হয়েছে। গত বুধবার(০৬/১১/২০১৯) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব আজীজ হায়দার ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সরকারী আদেশে একথা জানানো হয়। উক্ত ব্যাটালিয়নের জন্য বিভিন্ন পদবীর মোট ৬৭৭টটি পদ সৃজন, ৮৪টি যানবাহন, এবং ১৫টি সরঞ্জামাদি(সিসিটিভি) টিওএন্ডই-তে অন্তর্ভূক্ত করণে সরকারী মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা …

আরও পড়ুন

মহান নেতা এমএন লারমা, লও লও লাল সালাম

মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা(এমএন লারমা) একটি বিপ্লবী নাম, একটি মহান প্রগতিশীল আদর্শের নাম, একটি অনুপ্রেরণার নাম। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাসে “এমএন লারমা” একটি বীরত্বের নাম। “এমএন লারমা” কে ছিলেন? তার ব্যাক্তিত্ব, নৈতিক প্রগতি, জুম্ম জাতীয়তাবাদ ও প্রগতিশীল চিন্তা চেতনা সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, মহান এই মানুষটির মহান আদর্শগুলোকে জেনেও আমরা অনেকেই গভীরভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনা, অনুধাবন করতে পারিনা, অনুসরণ করতে পারিনা। যে …

আরও পড়ুন

পার্বত্য চট্টগ্রামে কার উন্নয়ন, কীসের উন্নয়ন?

পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের উন্নয়নের বুলি শুনতে শুনতে যেন কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। যেন উন্নয়ন হলেই পার্বত্য চট্টগ্রামে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হচ্ছে বলেও সরকারের দিক থেকে হার হামেশাই বলা হচ্ছে। কিন্তু আদতে কি তাই? আসুন একটু তলিয়ে দেখা যাক- ১। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুদত্ত চাকমা বলেছেন- “পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলায় দারিদ্র্যের হার এখনো ৪৮ শতাংশের ওপর রয়ে গেছে”। গত ৫ …

আরও পড়ুন

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন গত ১৬ ও ১৭ অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রাম সফর করে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠক ও আলোচনা সভা করেছেন। ১৬ অক্টোবর তিনি হেলিকপ্টারযোগে প্রথমে খাগড়াছড়ির রামগড়ে যান এবং সেখানে একটি থানা ভবন উদ্বোধন করেন। এরপর ঐ দিন বিকালে তিনি রাঙামাটিতে গিয়ে তিন জেলার সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। পরদিন একই বিষয়ে তিনি রাঙামাটি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সরকারি দলের এমপি-মন্ত্রী, তিন …

আরও পড়ুন

আদিবাসী লক্ষ লোকের মরণ ফাঁদ, কাপ্তাই বাঁধ!!!

কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের কাজ ১৯৫২ সালে শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৬২ সালে।এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট ৩৬৯টি মৌজার ১৫২টির মোট ১৮ হাজার পরিবারের প্রায় ১ লক্ষ লোক উদ্বাস্ত হয়।এই ১৮ হাজার পরিবারের ১০ হাজার পরিবার কর্ণফুলী, চেংগী,কাসালং এবং আর ছোট ছোট কয়েকটি নদী উপনদীর অববাহিকার চাষী এবং বাকী ৮ হাজার পরিবার জুম চাষী।ক্ষতিগ্রস্ত সর্বোচ্চ লোককে পূনর্বাচনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়েল সংশোধন করা হয় এবং সংশোধিত ধারায় বলা হয় যে,এখন থেকে …

আরও পড়ুন

বিলুপ্তির পথে আদিবাসীদের অস্তিত্ব

জীবনের জন্ম যেখানে,সেখানেই হোক না মরণ- পাহাড় হচ্ছে আদিবাসীদের জন্মভূমি ,মাতৃভূমি।পাহাড়ই আদিবাসীদের প্রাণ।পাহাড়ের প্রাণের সাথে নিরবিচ্ছিন্ন প্রাণ মেলাতে পাহাড়ের আদিবাসীরা বেশ উচ্ছাসিত।তারা তাদের স্বাতন্ত্র স্বকীয়তা নিয়েই প্রকৃতির বৈচিত্রময় সৌন্দর্যের লীলাভূমি পাহাড়ের বুকে স্বাধীন চিন্তা চেতনার অনুকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার নিশ্চিৎ করে জীবন প্রাবাহের গতিধারার অগ্রগতি নিয়ে পাহাড়ের কোলে মুক্ত নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই।-এরকম আরো হাজার স্বাধীন স্বপ্ন আদিবাসীদের মনে বাসা বেঁধে আছে দীর্ঘদিন ধরে।কিন্তু সেসব স্বপ্ন আদিবাসীদের …

আরও পড়ুন

নতুন ভাবনার প্রেক্ষাপথ

দেশের চলমান বাস্তবতা বিবেচনার দিক থেকে জনগণের বাকশক্তি খুব একটা নাগরিক অধিকারের কাছাকাছি কিংবা সংস্পর্শে নেই বললে চলে।মুক্তচিন্তার হৃদস্থল থেকে দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে টু শব্দ করাও দোষের।পিছু ছুঁটে সবসময় গ্রেফতারের ভয়!প্রাণনাশের হুমকির ভয়।তবে যারা সত্যকারের মুক্তমনার অধিকারী হয় তারা কখনো মৃত্যুর ভয়কে পরোয়া করেনা।তারা লিখে চলে অবিরাম যতদিন থাকে কলম শক্তি।সেসব মুক্তমনা লেখকরা বিশ্বের দরবারে তাদের লেখনীর মধ্য দিয়ে  সত্যকে তুলে ধরে মৃত্যুর শপথ নেয়।যেমনটা সেই শপথ নিয়ে মৃত্যুকে …

আরও পড়ুন

আমার পাহাড়কে মুক্তি দিন

পাহাড়ে আমার জন্ম।পাহাড় আমার মাতৃভূমি।পাহাড়ের কোলে কোমলীয় নিদ্রায় আমি বড় হয়েছি।পাহাড়ের দিগন্তের ভাজে ভাজে আমি আমার সূখ,শান্তি,অস্তিত্বকে খূঁজে পাই।ভালোবাসি বদ্ধ ভালোবেসে ফেলেছি আমি আমার প্রিয় পাহাড়কে।আমি গর্ব করে বিশ্বায়নে দুয়ারে চিৎকার করে বুক ফুলিয়ে বলতে পারি আমি পাহাড়ী,আমি আদিবাসী।কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে গর্ব করে আমি পাহাড়ী,আমি আদিবাসী বলে বলতে দেয় না।বলতে গেলে রাষ্ট্রযন্ত্র বাড়িয়ে দেয় আমার উপর এবং আমার পাহাড়ের উপর নিপীড়ন,নির্যাতন,শোষণ,বঞ্চনার তাপমাত্রা।রাষ্ট্রযন্ত্র পাহাড়কে কখনো সেনা শাসন নামের দানবিয় দাবানলে পুড়িয়ে …

আরও পড়ুন

ডাক

মা, ডাক এসেছে আবার! আমাকে যেতে হবে মা! কিসের ডাক, বাবা? কি হয়েছে আমাদের দেশের? আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলছে। আমাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’র যথাযথ বাস্তবায়নের আন্দোলন চলছে, মা। আমাকেও যেতে হবে। আন্দোলনের যোগ দিতে হবে। মা, তোমার মেয়ে – তুমাচিং, উম্রাচিং, নাউবাই, সুজাতা, সবিতা তাদের আত্ম-চিৎকার আওয়াজ কি শুনতে পাও না, মা? তাদেরকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তাদের রক্ত পাহাড়ে মিশে গেছে। …

আরও পড়ুন

এখনও সব শেষ নই

এখনও সব শেষ নই, আবারো পাহাড়ে একদিন জন্ম দিবে – জুম্ম জাতীয়তাবাদী দর্শন ও আদর্শিক বিপ্লবী নেতা। পাহাড়ে আবারো জন্ম দিবে – জুম্মজাতির অস্তিত্ব ও জন্মভূমি টিকিয়ে রাখার বৈপ্লবিক সংগ্রাম। পাহাড়ে এখনও জুম্ম জাতীয়তাবাদী দর্শন ও আর্দশের চিহ্ন শেষ হয়ে যায়নি। পাহাড়ী আদিবাসীরা মহান নেতা এমএন লারমা প্রদর্শিত পথ, নীতি ও কৌশল ভুলে যায়নি। জন্মভূমিতে জুম্ম জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে, কিভাবে লড়াই-সংগ্রাম করতে হয় – তা ভুলে যায়নি। পাহাড়ে এখনও …

আরও পড়ুন

পাকিস্তান আমল,প্রেক্ষিত পার্বত্য চট্টগ্রাম

বিংশ শতকের চল্লিশ দশকের মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান আন্দোলন যখন জোরদার হতে থাকে তখন ত্রিপুরা রাজ্যের শেষ মহারাজা বীরবিক্রম উত্তরপূর্ব ভারতের উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলো নিয়ে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠনে উদ্যোগী হন।কিন্তু তিনি সফল হতে পারেন নি।পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন রাজা এবং নেতাসহ অন্যান্য উপজাতি অঞ্চলের নেতৃবৃন্দ তাকে সমর্থন করেনি।১৯৪৭ সালের মে মাসে মহারাজার মৃত্যু হয় এবং তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথে সেই উদ্যোগেরও মৃত্যু ঘটে।অতপর মুসলীম লীগের দ্বিজাতিতত্ত্ব এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দাবি …

আরও পড়ুন

পাহাড়ের কান্না

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পাহাড়ের কান্না শুরু হয়েছিলো যা আজ অবদি সেই কান্না চলমান।একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের অংশ “পার্বত্য চট্টগ্রাম”। গোটা পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ে পরিপূর্ণ।পার্বত্য চট্টগ্রাম বা পাহাড় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অতোপ্রোত একটা অংশ হলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বা পাহাড়ের মাটিতে নেই কোন স্বাধীনতার চিহ্ন,পাহাড়ের আদিবাসীদের নেই কোন স্বাধীন দেশের স্বাধীন সার্বভৌমত্বের গণতান্ত্রিক অধিকার। পাহাড়ে যুগযুগান্তরে বসবাস করা আদিবাসীরা কোননা কোনভাবে বিশেষ শোষন বঞ্চনার শিকার বাংলাদেশ নামক স্বাধীন …

আরও পড়ুন
error: এই ব্লগের লেখা কপি করা যাবে না