কর্ম ও জীবন

পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরো : সংক্ষিপ্ত কর্ম ও জীবন

ঊন্নিশো ত্রিশ সালের দশই জুন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামে হরকুমার বড়ুয়া এবং প্রেমময়ী বড়ুয়ার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন বিধু ভূষণ বড়ুয়া। হরকুমার ও প্রেমময়ীর তৃতীয় এবং শেষ সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিধু ভূষণ। অন্য দশজন ছেলের মতো শিক্ষা দীক্ষা নিয়ে বেড়ে উঠছিলেন বিধূ ভূষণ বড়ুয়া। মহামানব গৌতম বুদ্ধের অহিংস দর্শন এবং সংসার ত্যাগের অসীম বানীসমূহ দারুণভাবে …

বিস্তারিত পড়ুন

পাহাড়ে সেনাতন্ত্রের দাবানলে হুমকির মূখে আদিবাসীদের জাতীয় অস্তিত্ব

আমরা দেখেছি বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা কেমন ভয়াভহ ছিলো। ৯ মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লক্ষ বাপ-ভাইয়ের জীবন উৎসর্গ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত লুন্ঠনের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয় বাংলাদেশ নামক দেশটি। বাঙালী জাতীর স্বাধীনতা লাভের মূলে ব্যাপক পরিসরের ভূমিকা ছিলো আদিবাসীদেরও। পার্বত্য চট্টগ্রাম হলো আদিবাসীদের আবাসভূমি। ৭১ সালে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ নামক দেশটির একটা অংশ ছিলো …

বিস্তারিত পড়ুন

আদিবাসী লক্ষ লোকের মরণ ফাঁদ, কাপ্তাই বাঁধ!!!

কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের কাজ ১৯৫২ সালে শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৬২ সালে।এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট ৩৬৯টি মৌজার ১৫২টির মোট ১৮ হাজার পরিবারের প্রায় ১ লক্ষ লোক উদ্বাস্ত হয়।এই ১৮ হাজার পরিবারের ১০ হাজার পরিবার কর্ণফুলী, চেংগী,কাসালং এবং আর ছোট ছোট কয়েকটি নদী উপনদীর অববাহিকার চাষী এবং বাকী ৮ হাজার পরিবার জুম চাষী।ক্ষতিগ্রস্ত সর্বোচ্চ লোককে পূনর্বাচনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়েল সংশোধন করা হয় এবং সংশোধিত …

বিস্তারিত পড়ুন

নেতাজী সুভাষের রাজনীতিই সমাধান

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু যে রাজনৈতিক ধারা শুরু করতে চেয়েছিলেন তা আমাদের এই অঞ্চলের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বলেই মনেকরি। তাঁর রাজনৈতিক চেতনার জায়গাটা যদি আমরা পরিষ্কারভাবে বুঝতে চাই তাহলে আমাদের বুঝতে হবে “ফরোয়ার্ড ব্লক” গঠনের রাজনীতিকে। ফরোয়ার্ড ব্লক যে চেতনার আলোকে গঠিত হয়েছিল তাকে যদি অগ্রসর করা যেত তাহলেই একমাত্র এই অঞ্চলের রাজনৈতিক গতিমুখ সমাজতন্ত্র অভিমুখী হতো।কারণ সুভাষ বসুর আপ্রাণ চেষ্টা ছিল এই দেশের আলোকে …

বিস্তারিত পড়ুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা অরুণ নন্দী ; বাংলাদেশের সুপারহিরো

তখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। প্রতিদিন শত শত মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছেন মাতৃভূমিকে মুক্ত করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে। সেই সময় কলকাতার মাটিতে শরণার্থী ছিলেন বাংলাদেশের এক সন্তান, নাম অরুণ নন্দী। নিজের জন্মভূমির এ দুঃসময়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন দেশের জন্য কিছু একটা করার, একেবারেই অন্যরকম কিছু। অন্ত্র হাতে নিয়ে শত্রুর বুকে গুলি চালানোর সামর্থ্য তার আছে। তবে তারচেয়েও বড় এক প্রতিভার অধিকারী তিনি, বিরতিহীন …

বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের বঙ্গবন্ধু

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে আজ অবধি যুগে যুগে এমন সব ব্যক্তিত্বের আগমন ঘটেছে, যাদের হাত ধরে মানবতার মুক্তির সনদ রচিত হয়েছে। ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের এই ছোট্ট ভূ-খন্ডটির জন্মের সাথে যার নাম অঙ্গাঙ্গীকভাবে জড়িত তিনি আর কেউ নন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গোপালগঞ্জ জেলার মধুমতি নদীর তীরবর্তী টুঙ্গিপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে শেখ লুৎফুর রহমান ও সাহেরা খাতুনের ঘর আলোকিত করে …

বিস্তারিত পড়ুন

সাহিত্যরত্ন মুহাম্মদ নজিবর রহমান

বেশকিছুদিন হলো লেখালেখির দিকে ঝুঁকে পড়েছি। মন চাইলে কখনও কখনও লিখে ফেলি ছড়া, কবিতা ও গল্প। যা বিভিন্ন সাহিত্য ম্যাগাজিনে ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। যৌথ প্রকাশনায় কবিতা গ্রন্থ প্রকাশ হলেও এখনও একক কোন গ্রন্থ প্রকাশ করতে পারিনি। অর্থ সংকট আছে বটে। তবুও আশা করি একদিন না একদিন গ্রন্থ বের করবোই। সাহিত্য ম্যাগাজিনে খুব বেশি যে পরিচিত হয়েছি তা কিন্তু নয়।তবে একথা সত্য যে অনেক সাহিত্যমনা মানুষের …

বিস্তারিত পড়ুন

আরজ আলী মাতুব্বর : মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী দার্শনিক

আরজ আলী মাতুব্বর ১৯০০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর (বাংলা ১৩০৭ বঙ্গাব্দের ৩রা পৌষ) তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে বরিশাল জেলার অন্তর্গত চরবাড়িয়া ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম এন্তাজ আলী মাতুব্বর। তার মা অত্যন্ত পরহেজগার ছিলেন। পরিবারে তারা ছিলেন পাঁচ ভাইবোন। আরজ আলী মাতুব্বরের প্রকৃত নাম ছিলো ‘আরজ আলী। আঞ্চলিক ভূস্বামী হওয়ার সুবাদে তিনি ‘মাতুব্বর’ নাম ধারণ করেন। আরজ আলী নিজ গ্রামের …

বিস্তারিত পড়ুন

বিদ্যাসাগরের “নতুন মানুষ”

“এদেশের উদ্ধার হইতে বহু বিলম্ব আছে।পুরাতন প্রকৃতি ও প্রবৃত্তি বিশিষ্ট মানুষের চাষ উঠাইয়া দিয়া সাত পুরুমাটি তুলিয়া ফেলিয়া নতুন মানুষের চাষ করিতে পারিলে, তবে এদেশের ভাল হয়।” -ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিদ্যাসাগর মহাশয়ের এই কথাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এই কথাটি দ্বারা আমরা তাঁর চিন্তাধারার বা মতামতের হদিশ করতে পারি। বস্তুত বিদ্যাসাগরের যথাযথ পর্যালোচনা ছাড়া কখনও আমরা অগ্রসর হতে পারবনা।তিনি যে জিজ্ঞাসা, যে তর্কসমূহ উত্থাপন করেছিলেন তার যথাযথ বোঝাপড়া …

বিস্তারিত পড়ুন

শান্তির দূত কফি আনান

প্রথমবারের মত কোনো কালো ব্যক্তি  জাতিসংঘের মহাসচিব হয়েছিলো।কফি আনান,পুরো নাম কফি আত্তা আনান।১৯৩৮ সালের ৮ ই এপ্রিল আফ্রিকার দেশ ঘানাতে যার জন্ম।বাবা ছিলেন একজন প্রাদেশিক গভর্নর,শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপ ঘানাতেই কেটেছিলো, পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৬২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট অফিসার হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।তার সময়ে পৃথিবী দুইটি বড় সংকটে পড়ে একটি হচ্ছে ইরাক যুদ্ধ এবং অপরটি হচ্ছে এইডস। দুইক্ষেত্রেই …

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!