নারী এবং পুরুষ বিভেদ ! কারণ কি?

একটি পুরুষ ও একটি নারীর মধ্যে পার্থক্য কি ? পার্থক্যগুলো হয় উভয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এই নিবন্ধে মানুষের পুরুষ ও নারীর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট বয়সের ক্ষেত্রে গড়পড়তা পার্থক্যের দিকে আলোকপাত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাধারণত এবং গড়ে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ উচ্চতায় প্রাপ্তবয়স্ক নারীর চেয়ে লম্বা, কিন্তু একজন নির্দিষ্ট নারী একজন নির্দিষ্ট পুরুষের চেয়ে লম্বা হতে পারেন। এই নিবন্ধে পরিস্কারভাবে নারী-পুরুষ উভয়ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এমন পার্থক্যগুলো উল্লেখিত হয়েছে। যদিও কিছু লৈঙ্গিক পার্থক্য আছে যা বিতর্কিত।
শারীরিক পার্থক্য উপস্থাপনা : গড়ে, পুরুষ নারীর থেকে বেশি লম্বা, প্রায় আধা ফুট (~১৫ সেন্টিমিটার) কটি-জঘন অনুপাত গড়ে নারীর তুলনায় পুরুষের বেশি ( কটি-জঘন অনুপাত দেখুন)। গড়ে, পুরুষের কর্তন দাঁতের দৈর্ঘ্য নারীর তুলনায় বেশি গড়ে, পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি শক্তিশালী। পুরুষের উচ্চ মাত্রার টেস্টোস্টেরন ক্ষরণের ফলে পেশি বিকাশ সুগঠিত হওয়ায় এমনটি হয়। গড়ে, পুরুষের শরীরের নারী চেয়ে লোমের পরিমাণ বেশি।

পুরুষের ত্বক, নারীর ত্বকের তুলনায় বেশি মোটা (বেশি কোলাজেন সমৃদ্ধ) এবং তৈলাক্ত ( সেবামের পরিমাণ বেশি থাকে)। নারীর ত্বক পুরুষের ত্বকের তুলনায় বেশি কোমল পুরুষের তর্জনী, অনামিকার তুলনায় ছোট। অপরদিকে নারীর তর্জনী, অনামিকার তুলনায় বড়। নারীর শ্রোণীঅঞ্চল, পুরুষের তুলনায় প্রশস্ত। সন্তান ধারণ ও জন্মদানের জন্য নারীর শ্রোণীঅঞ্চল বড় হয়। পুরুষের কণ্ঠমণি (Adam’s Apple) রয়েছে, যার ফলে ভোকাল কর্ড বড় এবং কণ্ঠস্বর ভারী/গম্ভীর হয়। অন্যান্য পার্থক্য নারীর শরীরে চর্বির পরিমাণ পুরুষের তুলনায় বেশি। পুরুষের রক্তচাপ নারীর তুলনায় বেশি। এবং নারীর হৃৎস্পন্দন পুরুষের তুলনায় বেশি, এমন কী যখন তারা ঘুমিয়ে থাকে তখনও। পেশি কলার ঘনত্ব নারীর থেকে পুরুষের বেশি, বিশেষ করে উর্দ্ধাঙ্গে। পুরুষ ও নারীর কিছু হরমোনের ক্ষেত্রে মাত্রা ভিন্ন। যেমন: পুরুষের অ্যান্ড্রোজেন ক্ষরণের হার বেশি। অপরদিকে নারীর ইস্ট্রোজেন হরমোন ক্ষরণের হার বেশি।

প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা প্রায় ৫২ লক্ষ, অপরদিকে প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৪৬ লক্ষ। এই পার্থক্য গুলো দিয়ে একটি নারী এবং একটি পুরুষ তার প্রমান পাওয়া যায়। কিন্তু নারী এবং পুরুষ এরা দুটি দুই রকম প্রণী নয়, এরা উভয় মানুষ তাই এক জন অন্যজনকে
ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নাই। কিন্তু আমরা নারীকে সব সময় ছোট করে দেখি এবং কি তাদেরকে তাদের স্বাধীনতাকে নষ্ট করে দিয়ে তাকে ঘরের পুতুল বানিয়ে রাখি কিন্তু কেন? এই চিন্তাটা মানুষে ভিতরে বরবর যুগে ছিল না এটা এসেছে কিছুটা ধর্ম অন্ধতা থেকে লক্ষ করুন যে দেশ গুলোতে ধর্ম অন্ধতা কম সেই দেশ গুলোতে নারীরা তাদের স্বাধীনতা পাচ্ছে। এখনে আমি ধর্মকে ছোট করে দেখছি না বলছিও না। নারীরা নিজেদের দোষে পিছিয়ে আছে আমি বলবো তারা সব সময় ভাবে আমি নারী আমি এই কাজটি পারবো না হয় তো এবং তারা করার চেষ্টও করে না, যারা চেষ্টা করে তারা সাফল্য পেয়ে থাকে। মোট কথা কোন জাতি যুদ্ধ
না করে স্বাধীনতা পায় নাই। নারীদের যুদ্ধ করতে হবে তাদের স্বাধীনতার জন্য সাথে পুরুষদের সাহায্য করতে হবে তাহলে মুক্ত হবে নারী সমাজ। জয় হক মানবতার।

শেয়ার করুন

ব্লগার প্রসেনজীৎ কুমার রায়

আমি প্রসেনজীৎ কুমার রায়, রাজবাড়ীতে থাকি, রাজবাড়ী জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।