করোনা ভাইরাস বা কভিড-১৯ সম্পর্কিত ভাবনা

()

জীবাণু যুদ্ধ অথবা কোল্ড ওয়ার ডেভেলপ হয়েছে বুঝা যাচ্ছে। দেখলাম উইকিলিক্স এরমতো সাইটে অনেক আগে থেকেই বার্তা দেওয়া আছে, পাশ্চাত্য দেশগুলোর গোপন জীবাণু গবেষণা কেন্দ্র সম্পর্কে। তাদের মাইক্রোবায়লোজির মতো বিষয়গুলোর পেছনে বিলিয়ন ডলার ঢালার মুটিভকে ছোট করে দেখার কোন অবকাশ নেই। আচ্ছা এমন নয় তো! তাদেরই জীবানু গবেষণা কেন্দ্র থেকে এক্সিডেন্টলি করোনার স্প্রিডিটি? কোন দেশের একজন জীবানু বিজ্ঞানী জানি ইতিমধ্যে এমন আশংকা করে বসেছেন এবং এই বিজ্ঞানী দীর্ঘদিন ধরেই জীবানু গবেষণা কাজে যুক্ত। বিজ্ঞান দিন দিন উন্নত হচ্ছে একথা স্বীকার করতে হবে এবং মানব কল্যাণে কাজ করছে, তার পাশাপাশি বিজ্ঞানের নির্দিষ্ট কিছু শাখা স্নায়ু যুদ্ধের বড় একটি অংশ হতেও যাচ্ছে। পৃথিবীব্যাপি ক্ষুদ্র এবং মধ্যবিত্ত দেশগুলোর উপর অর্থনৈতিক চাপ এবং সমান্তরাল রেখা জারি রাখতে ক্ষমতাসীন সাম্রাজ্যবাদীরা যা কিছুই করতে পারে এমন কি কভিড-১৯ ছড়িয়ে দিতে পারে, মানুষ তাদের কাছে পণ্য মাত্র। চঞ্চল মন দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে এমন সব চিন্তার জন্ম দিলো, কি জানি কেমন খেলায় নেমেছে বিশ্ব! আদৌ কতটুকু সত্য এসব চিন্তা।

যাইহোক, এইমুহুর্তে এসব চিন্তার সময় নয়, জীবানু অলরেডি পৃথিবীর অনেক দেশের ফুসফুসে ঢুকে পড়েছে। বাঙলাদেশ নিতান্তই কু-সংস্কারছন্ন, ডে লেবার এবং নিম্নশিক্ষিত মানুষের দেশ। ইতিমধ্যেই করোনা এদেশের নানান পূর্ব অ-সতর্কতার কারণে গণস্বাস্থ্যের তথ্যমতে ১১ জনের কাছে ছড়িয়েছে এবং ১ জন মারা গেছে। ডাক্তারদের পরামর্শমতে বর্তমান সময়ে করোনা প্রতিরোধের একমাত্র নিরাপদ উপায় হোম কোয়ারেন্টাইন এবং হাইজিন ম্যেনটেন করা। এখনো পর্যন্ত বাঙলাদেশে লো স্টেজে কভিড-১৯, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণে লক ডাউন করা হয়েছে যা পর্যাপ্ত নয় এই ভাইরাস মোকাবিলায়। আমার মনে হয় বিশ্বের আক্রান্ত দেশগুলোর স্ট্যাটিকস দেখার পরেও আমরা আন্দাজও করতে পারছি না এই ভাইরাসের শক্তি কতটুকু। এখন থেকেই সারাদেশ লক ডাউন এবং সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন জারি না করলে বাঙলাদেশের যা প্রস্তুতি সে হিশেবে মৃত্যু উপত্যকা হয়ে দাঁড়াবে।

আমার চঞ্চল মন একটা স্বস্তির সিনও ক্রিয়েট করলো শেষমেশ। এটাও মনে আসলো, অতিদ্রুত কভিড-১৯ অথবা করোনা ভাইরাস এর প্রতিষেধক উদ্ভাবন হবে ইউরোপ চিন অথবা আমেরিকার হাত ধরে এবং সারাবিশ্বে হুরুস্তুল বিক্রি হবে, করোনা এবারের মতো ধ্বংস হবে নতুন কোন শক্তিশালী জীবাণু আসার অপেক্ষায়। পৃথিবীতে ক্ষণজন্মা মানুষ বুঝতে অপারগ মৃত্যুর অপেক্ষায় তার বেঁচে থাকা।

কোরোনার লক্ষণ জানুন আতঙ্ক নয়, আক্রান্তের লক্ষণ সমূহ:

১ম তিন দিন-
জ্বর
হালকা গলা ব্যাথা

৪র্থ দিন-
গলা ব্যাথা বৃদ্ধি
গলার স্বর ভাঙ্গা
শরীরে তাপবৃদ্ধি
মাথা ব্যাথা
ডায়রিয়া

৫ম দিন-
ক্লান্তি অনুভব
মাংস পেশিতে ব্যাথা
শুকনা কাঁশি

৬ষ্ঠ দিন-
হালকা জ্বর
সামান্য শুকনা কাঁশি
শ্বাসকষ্ট
ডায়রিয়া অথবা বমি

৭ম দিন-
উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বর
কাঁশি বৃদ্ধি
সমস্থ শরীরে ব্যাথা
ডায়রিয়া ও বমি

৮ম ও ৯ম দিন-
সকল উপসর্গগুলো বৃদ্ধি পাবে
প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট হবে

আতংক নয় সাধারণ ভাইরাসও ৭-৯ দিন শরীরে থাকে এরপর চলে যায়। তাই ৯ দিন পার হবার পরে যদি অবস্থা খারাপের দিকে যায় তখনই কেবল করোনা টেস্ট করে দেখবেন। তারপরও আতঙ্কিত হবার কিছু নাই কেননা করোনায় মৃত্যু হার মাত্র ৫% এরও কম। অর্থাৎ ১০০জনের করোনা হলে ৫ জনেরও কম লোক মারা গেছে।

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।

লেখাটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?

লেখার উপরে এই লেখার মোট রেটিং দেখুন

এখন পর্যন্ত কোনও রেটিং নেই! এই পোস্টটি রেটিং করুন

আপনি কি এই পোস্টটি দরকারী মনে করছেন?

সামাজিক মিডিয়াতে জানান!

ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লেখক শিপ্ত বড়ুয়া

শূন্য দশকের অপরাধ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!