ইতিহাস

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি চিঠি

প্রিয় অজ্ঞাতনামা শহীদ, পত্রের প্রথমেই স্মরণ করছি নাম না জানা অগনিত লাখো মুক্তিসেনাদের, স্মরণ করছি সেই মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজনদের, যাদের সোনার মতো ছেলে, বন্ধুর মতো ভাই স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন দিয়েছে। স্মরণ করছি সেইসব মুক্তিযোদ্ধাদের যাঁরা তাঁদের জীবন দিয়ে জয়ী করেছে আমার এই বাংলাকে, রক্ষা করেছে এই বাংলার মা মাটিকে। আমি সালাম এবং শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সেই ত্রিশ লক্ষ শহীদদের যাঁদের রক্তের জলে অর্জিত আমাদের লাল …

আরও পড়ুন

বাঙালি-মুসলমান, বাঙালি নাকি মুসলমান?

বাঙালি মুসলমানদের বাঙালি না বলাই ভালো। কারণ উনারা আগে মুসলমান, পরে বাঙালি কিন্তু পরে যে বাঙালি তাও উনারা স্বীকার করতে লজ্জা পান, দ্বিধাবোধ করেন। এদেশের বেশিরভাগ মুসলমান ভাবেন তারা মুসলমান, বাঙালি নন। কারণ ‘বাঙালি’ শব্দটি থেকে হিন্দু হিন্দু গন্ধ পাওয়া যায়! বাঙালি মুসলমান হল একটি জাতিগত, ভাষাগত ও ধর্মীয় সম্প্রদায় যারা বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের বৃহত্তম সংখ্যালঘু।জাতিগত বাঙালি যারা …

আরও পড়ুন

২১ ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য ও আমাদের গৌরব

বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ বপিত হয়েছিল বহু আগে, অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্রিটিশ …

আরও পড়ুন

১৪ ফেব্রুয়ারী ভালোবাসা দিবস নয়

যে দিনটি আমরা ভালোবাসা দিবস হিসাবে পালন করি আসলে কি সেই দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য ভালোবাসা দিবস না কি শোক দিবস ? সেই দিন কি ঘটেছিল বাংলাদেশে যার কারনে আমি এই কথা বলছি সেই দিন যা ঘটেছিল : ১৪ ফেব্রুয়ারী, স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে পালিত হয় স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করেন স্বৈরাচার এরশাদ সরকার। সামরিক …

আরও পড়ুন

বইমেলার উৎপত্তি ও ইতিহাস

‘বইমেলা’ কিংবা ‘গ্রন্থমেলা’ শব্দ দু’টির যেকোনো একটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বাংলা একাডেমী আয়োজিত একুশে বইমেলা। যে মেলা বইপ্রেমী মানুষের প্রাণে দোলা দেয়। মুক্তধারা প্রকাশনীর কর্ণধার চিত্তরঞ্জন সাহা এক টুকরো চটের উপর কয়েকটি বই সাজিয়ে যে মেলার সূচনা করেছিলেন, সেই মেলা আজ পুরো জাতির দর্পণের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফুটপাতে চটের উপর যে মেলা শুরু হয়েছিল, সেই মেলায় আজ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শত …

আরও পড়ুন

বৌদ্ধ ধর্ম ও ডা: শান্ত কুমার চৌধুরী, বাঙ্গালী বৌদ্ধদের সংক্ষিপ্ত দলিল

সামন্ত যুগের বংশ গৌরবের অধিকারী পূর্ণচন্দ্র সামন্ত রাজা ও সুবর্ণ চন্দ্র সামন্ত রাজা, পরবর্তীতে ধুংশাং চৌধূরী (জমিদার) বংশের গৌরবের অধিপতি ডা: শান্ত কুমার চৌধূরী ১৮৮৩ সালে চট্টগ্রাম জেলায়, পটিয়া উপজেলায় কতালা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন । বাল্যকালে কতালা মধ্য স্কুলের পাঠ শেষ করে উচ্চ বিদ্যালয় ভর্ত্তি হন তৎকালীন বেসরকারী ন্যাশন্যাল মেডিকেল স্কুলে । চার বছর এল. এম. এফ কোর্স সমাপ্ত করে বাড়ীতে এতে চিকিৎসা ব্যবসা …

আরও পড়ুন

অধ্যাপক নাজির আহমদ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বাঙ্গালীদের অগ্রযাত্রা

অধ্যাপক নাজির আহমদ ১৮৯৬ সালে ২৬ আগষ্ট সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের গোপ্তাখালী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন । তৎকালীন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি একজন । চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানার প্রথম এম এ ডিগ্রি অর্জন করেন । তিনি এমন একজন শিক্ষক ছিলেন যার বহু ছাত্র ভারত, পাকিস্থান, ও স্বাধীন বাংলাদেশের বিনির্মানে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছেন । স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষক অধ্যাপক নাজির আহমদ । …

আরও পড়ুন

ভারতবর্ষে বাঙ্গালী বৌদ্ধদের রেঁনেসা (পর্ব-৪, শেষ পর্ব)

ভারতবর্ষে বৌদ্ধদের ও বাঙ্গালী বৌদ্ধদের নবজাগরনের সূচনা হয় ঊনিশ শতকের গোড়ার দিকে । বিভিন্ন লেখক, পন্ডিত, ঐতিহাসিকগন বৌদ্ধদের রেঁনেসা হিসাবে উল্লেখ্য করেছেন । এতে যারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তাদের মধ্যে কর্মযোগী কৃপাশরণ মহাস্থবির(১৮৬৫-১৯২৬), অনাগরিক ধর্মপাল মহাস্থবির(১৮৬৪-১৯৩৩), অগগমহাপন্ডিত প্রজ্ঞালোক মহস্থবির(১৮৭৯-১৯৭১), অধ্যাপক সমন পূন্নানন্দ স্বামী(১৮৭৮-১৯২৮), বিনয়াচার্য বংশদীপ মহাস্থবির(১৮৮০-১৯৭১), জ্ঞানীশ্বর মহাস্থবির(১৮৮৭-১৯৭৪), পন্ডিত কালীকুমার মহাস্থবির(১৮৭৫-১৯১৪), ধর্মধার মহাস্থবির(১৯০১-২০০০), লব্ধ প্রতিষ্ঠ ডাঃ শান্ত কুমার চৌধূরী(১৮৮৩-১৯৩৬), ড. বেনী মাধব বড়ুয়া(১৮৮৮-১৯৭৪), ড. …

আরও পড়ুন

ভারতবর্ষে বাঙ্গালী বৌদ্ধদের রেঁনেসা (পর্ব-৩)

সে সময় মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন খুব জোরদার হয়ে চরম পর্যায়ে আসে । এই সময় বৃটিশ সরকার নতুন করে এক ভারত শাসন আইন প্রবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিলেন । তালতলা বাসভবনে কলকাতা ধর্মাঙ্কুর সভা, বঙ্গীয় বৌদ্ধ সমিতি বা বেঙ্গল বুড্ডিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কতালা নিবাসী ডা: শান্ত কুমার চৌধূরী, ড. বেনী মাধব বড়ুয়া, ডিষ্ট্রিকট রেজিষ্ট্রার বাবু অধর লাল বড়ুয়া, এডভোকেট ভূপেন্দ্র লাল মুৎসুদ্দি, ডেপুটি …

আরও পড়ুন

ভারতবর্ষে বাঙ্গালী বৌদ্ধদের রেঁনেসা-(পর্ব-২)

১৯৩০-৩১ সালের কার্য বিবরনীতে অন্যতম মূদ্রক ছিলেন ড. বেনী মাধব বড়ুয়া । কতালা নিবাসী ডা: শান্ত কুমার চৌধূরী ছিলেন সাধারণ সম্পাদক । ১৯৩৩ সালে ডা: শান্ত কুমার চৌধূরী কলকাতা ধর্মাস্কুর বিহার সভার সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় এবং আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় প্রতিষ্ঠিত হয় বৌদ্ধ অনুশীলন সমাজ ও মহিলা সমিতি । এদিকে, সুষমা সেন গুপ্তার মামলা হাইকোটে ওঠলে । কলকাতা ধর্মাস্কুর বিহার সভার কর্মকর্তারা চিন্তিত হয়ে পড়েন । …

আরও পড়ুন
error: Content is protected !!